১১/০২/২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

একই আসনে দুই মনোনয়ন প্রত্যাশী কর্মীর সংঘর্ষে পুলিশ সাংবাদিকসহ আহত ২০

মাদারীপুরের কালকিনিতে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সামনেই বিএনপির এক মনোনয়ন প্রত্যাশীর কর্মী সমর্থকদের উপরে হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এসময় হামলায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০জন নেতা কর্মী আহত হয়েছে।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালকিনি উপজেলা চত্ত্বরে দুপুরে মাদারীপুর-৩ সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) রেজাউল করিম রেজা তার কিছু কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেখা করতে আসেন। এসময় উপজেলা পরিষদ চত্বরে তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে জড়ো থাকা অবস্থায় একই সংসদীয় আসনের বিএনপির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী আনিসুর রহমান তালুকদারের সমর্থক কালকিনি পৌর ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক এইচএম তুহিন সাথে বাক বিতন্ডা হয়।

পরে তা এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গেলে হামলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা, স্থানীয় সাংবাদিক ইব্রাহিম সবুজসহ আহত হয় অন্তত ২০ জন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে।

ঘটনার পর উপজেলা চত্ত্বরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

রেজাউল করিমের কর্মী সবুজ,হায়দার দিদার,রুবেল, ইমন এরা বলেন, আমরা রেজাউল করিম ভাই মাদারীপুর -৩ আসনে এমপি প্রার্থী তার নির্বাচনী জনসভায় আমরা এসেছি। হঠাৎ করে কোথা থেকে লোকজন এসে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে আমরা এর সঠিক বিচার চাই। এই স্বাধীন দেশে সঠিকভাবে যদি কোন কিছু না করা যায় তাহলে এই দেশটা স্বাধীন করে কি লাভ পেলাম।

তবে মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত মেজর রেজাউল করিম বলেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন,মাদারীপুর ৩ আসনের আরেক এমপি প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদারের লোক তার জনসভায় হামলা চালিয়েছে। আমার নির্বাচনী জনসভা বানচাল করার জন্য এ প্রচেষ্টা করে চলছে। প্রশাসনের মাধ্যমে এর সঠিক বিচার চাই আমরা।

তবে এ বিষয়ে জানার জন্য কালকিনি পৌর ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক এইচএম তুহিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান,ঘটনা স্থানে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।এ ঘটনায় পুলিশসহ গণমাধ্যম কর্মীরাও আহত হয়েছে ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাদারীপুরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশু কিশোর পাবে টাইফয়েড টিকা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন