১০/০২/২০২৬, ১৭:৪৩ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

একই দিনে নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবি ৮ দলের

একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক আট দল। তাদের অভিযোগ, জুলাই সনদের কার্যকারিতার জন্য জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অপরিহার্য হলেও একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তবে বিলম্বে হলেও জুলাই সনদের প্রজ্ঞাপন জারি করায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে দলগুলো।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে এবং একই দিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার এ ঘোষণার পর রাতে বৈঠকে বসে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক আট দল। তারা জানিয়েছে, এ বিষয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় আট দলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

বৈঠক শেষে দলের পক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, “আজ আমরা দুটি বৈঠক করেছি। জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ঢাকায় অবস্থানরত সদস্যদের নিয়ে প্রথমে বৈঠক করি। এরপর আন্দোলনরত আট দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে আরেকটি বৈঠক করি। দিনের বেলাতেও আমাদের নেতারা নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।”

তিনি বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম প্রধান উপদেষ্টা ভাষণের মাধ্যমে নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবি–দাওয়া নিয়ে যে ‘বন্ধাত্ব’ বা জট তৈরি হয়েছে, তার একটি সুষ্ঠু সমাধান হবে এবং জাতি স্বস্তি পাবে। কিন্তু ভাষণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলা যায় না। ভাষণে কিছু বিষয় রয়েছে যা বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, আবার কিছু বিষয় বাস্তবায়নযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এক কথায় এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ ধরলে তা খুব ফলপ্রসূ বা স্বস্তিদায়ক ভবিষ্যৎ দেবে—এমনটা আমরা মনে করি না।”

তাহের আরও বলেন, “আপনারা জানেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান উপদেষ্টা সংস্কার ও বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। আমরা আশাবাদী ছিলাম যে সুষ্ঠু সংস্কারের ভিত্তিতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কিন্তু (বিএনপির) কেউ বলছেন সংস্কার কমিশন প্রতারণা করেছে, কেউ বলছেন আমরা জুলাই সনদ চাই কিন্তু গণভোট একসঙ্গে চাই, আবার কেউ বা বলছেন সংস্কারের প্রয়োজন নেই। কারও বক্তব্য—বিএনপির ৩১ দফাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দফা। কেউ আবার বলেন, সংস্কারের জনক বিএনপি। এ ধরনের নানামুখী বক্তব্যের কারণে সংস্কার প্রশ্নটি মানুষের কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে। আমরা শুরু থেকে বলেছি—সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক রয়েছে। যে কতিপয় সংস্কারের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি, সেগুলো আইনি ভিত্তি পাওয়ার পর আগামী নির্বাচনের ইস্যু হবে।”

জুলাই সনদ জারি করায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ জারি করে সঠিক কাজ করেছেন। এটি আরও আগে করা দরকার ছিল। জমা দেওয়ার পরই জারি করলে সময়ক্ষেপণ কম হতো।”

পড়ুন: আগামীকাল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন