ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদায়ী জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান চাকরিকালীন নিজের বিচিত্র অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়োগ নিয়ে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনায় তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি কর্মকালীন নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন।
শারমিন আক্তার বলেন, ‘একটি নিয়োগ নিয়ে আমি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিলাম। ওই নোট অব ডিসেন্ট এর উপর ভিত্তি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়। আর এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাকে হত্যার নির্দেশ দেন। বিষয়টি জানতে পেরেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসনে বদলি হয়ে যাই।’
অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘তখন যে প্রশ্ন হয়েছিলো তাতে আমি নিজেও ৫০-৫৫ পেতাম কিনা সন্দেহ। কিন্তু খাতায় দেখি অনেকে ৭০-৮০ করে পেয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খাতায় হাতের লেখা একই ধাচের। সাধারণত শুরুর সাথে শেষের লেখার মিল থাকে না। এসব দিক বিবেচনায় আমার সন্দেহ হয়।’
প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মকালীন অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় ছিলো কে নেতা বুঝতামই না। তখন অফিস সহকারি বদল করতে গিয়ে দেখি চেয়ার যায় যায়। এখন তো একটা দল ক্ষমতায়। তিন বছরের অধিক সময় চাকরি করছেন এমন চাকরিজীবীদের তালিকা করেছিলাম বদলির জন্য। কিন্তু বদলি হয়ে যাচ্ছি বলে এটা করা হয়নি।’
বিদায়ী সংবর্ধনায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা। সাংবাদিকরা এ সময় জেলা প্রশাসকের কর্মকালীন সময়ের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
পড়ুন : নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে জকসু প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ


