স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য। বন্ধ হয়েছে অনেক কারখানা। বাজারদরও আকাশছোঁয়া। এতে কমেছে সক্ষম করদাতার সংখ্যা।
আবার চলতি বছর থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে অনলাইনে রিটার্ন (ই-রিটার্ন) জমা। অভ্যস্ত না হওয়ার কারণে অনেকেই নিবন্ধন নেওয়ার পরও কর দিতে পারেননি। তাই তিন দফায় তিন মাস সময় বাড়ানোর পর এখন চতুর্থ দফায় সময় বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আয়কর আইন অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। তবে ই-রিটার্নে যথেষ্ট সাড়া না পড়ায় পর পর তিন দফায় এক মাস করে সময় বাড়িয়ে রিটার্ন দাখিলের সময় ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল। এনবিআর সূত্র বলছে, করদাতাদের সুবিধা দেওয়ার জন্য আরো এক মাস বাড়িয়ে ৩১ মার্চ হতে পারে। এর আগে গত বছর তিন দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল।
এনবিআরের তথ্য বলছে, দেশে এই মুহূর্তে নিবন্ধিত করদাতা আছেন এক কোটি ২৩ লাখ। অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার জন। কাগুজে রিটার্ন জমা দিয়েছেন প্রায় তিন লাখ করদাতা। সে হিসাবে এখনো প্রায় ৮১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দেননি। গত বছরে মোট রিটার্ন জমা পড়েছিল ৪৫ লাখ।
সময় বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনবিআরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এক মাস সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এখন যেকোনো সময় আদেশ জারি করা হতে পারে।’
নিয়ম অনুযায়ী, কর দিবসের পর রিটার্ন জমা দিলে একজন করদাতাকে গুনতে হয় জরিমানা। সেই সঙ্গে বিনিয়োগের রেয়াতের সুবিধাও পান না। কম হারে কর দেওয়ার সুযোগও থাকে না। করমুক্ত আয়ের সুবিধাও হারাতে হয়। কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত আয়ও করযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
পড়ুন: ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত
আর/


