ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বহিস্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নেতাকর্মীদের একটাই দাবি ছিল দলের প্রার্থী দেওয়ার। এমনতো না যে দলের প্রার্থী ছিল না। কিন্তু ভাড়া করতে হইলো প্রার্থী! সেই প্রার্থীর মার্কা খেঁজুর গাছ। এখন শুনতে হয় ধানই নাকি খেঁজুর গাছ। আমি যদি কই হাঁসই হইলো বাঘ, তাইলে কি হইবো? হাস হইলো হাস বাঘ হইলো বাঘ। খেঁজুর গাছ হইলো মরুভূমির গাছ, আর ধান হইলো আমাদের প্রাণ।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কুচনী গ্রামে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় রুমিন ফারহানা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে গত ২৫ বছর কোন ধানের শীষের প্রার্থী ছিল না। ২০০১ সালে জোটের প্রার্থী আমিনী সাহেব ছিল, ২০০৮ সালে আমিনী সাহেব যখন ফেল করলো তখন চলে আসলো জাতীয়পার্টি। ২০১৪ সালে আবারও জাতীয়পার্টি জয়লাভ করে। ২০১৮ সালে উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞা জয়লাভ করেন। এই মানুষটিও চলে যায় আওয়ামী লীগে। বিএনপির হাত শুন্য। এখন ২০২৫ সালে যখন নির্বাচন হচ্ছে এবং নেতাকর্মীদের যখন একটাই দাবি ছিল দলের প্রার্থী দেওয়ার। এমনতো না যে দলের প্রার্থী ছিল না। কিন্তু ভাড়া করতে হইলো প্রার্থী! সেই প্রার্থীর মার্কা খেঁজুর গাছ। এখন শুনতে হয় ধানই নাকি খেঁজুর গাছ। আমি যদি কই হাঁসই হইলো বাঘ, তাইলে কি হইবো? হাস হইলো হাস বাঘ হইলো বাঘ। খেঁজুর গাছ হইলো মরুভূমির গাছ, আর ধান হইলো আমাদের প্রাণ।
সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ও চান্দুরা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন বিএনপি তাদের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর জন্য ছেড়ে দিয়েছে। আসনটিতে বিএনপির সমর্থন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ- এর সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া বিএনপি ইতিমধ্যে রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে।
পড়ুন: মেহেরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার
দেখুন: শুধু গাঁজা সেবন করতে থাইল্যান্ড যেতে বারণ
ইম/


