20.6 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, রণক্ষেত্র গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ। সেখানে সমাবেশ শেষে মাদারীপুর যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর।

বিজ্ঞাপন

এরপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। শেষ খবর পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলছিল। এ অবস্থায় জেলা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন। 

বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান। 

পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে কয়েক রাউন্ড বাবার বুলেট ও সাউন্ড ছুড়তে দেখা গেছে হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এছাড়া বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে এনসিপি নেতাদের নিয়ে পিছু হটতে দেখা গেছে। 

মাসব্যাপী জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে দলটির নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে পৌঁছান।

মঞ্চে উঠে প্রথমে মাইক হাতে কথা বলেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এরপর মাইক হাতে নিয়ে টানা স্লোগান দিয়ে সমাবেশ স্থল মুখর করে রাখেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।তার স্লোগানে সভামঞ্চসহ পুরো সমাবেশস্থল যেন নতুন করে প্রাণ পায়।

এসময় সভামঞ্চে উপস্থিত থাকা দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, সারোয়ার তুষারসহ সবাই হাসনাতের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

এর আগে দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এ হামলা চালায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় সমাবেশের মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার ভাঙচুরসহ উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।

পড়ুন : এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে আগুন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন