২৫/০২/২০২৬, ১৬:০৮ অপরাহ্ণ
32.5 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ১৬:০৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এনসিপি নেতাদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: নাছির উদ্দীন

নোয়াখালীর হাতিয়ার ঘটনায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, হাতিয়াকে ঘিরে যে অভিযোগটি সম্প্রতি ছড়ানো হয়েছে তা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শী বাসিন্দাদের বক্তব্য অনুযায়ী ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে, যা নিন্দনীয় ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ২৮ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একই সময়ে তিনি অন্যত্র গিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন- এমন দাবি বাস্তবতা ও যুক্তির পরিপন্থী বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিশেষ করে হাতিয়া থেকে জেলা সদর হাসপাতালে যাতায়াতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগটির অসঙ্গতি তুলে ধরেন।

এ প্রসঙ্গে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্তকেও তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, এতে ঘটনার ভিন্ন মাত্রা ও অন্তর্নিহিত বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

পোস্টে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ‘মব’ তৈরির অপচেষ্টা এবং একটি রাজনৈতিক দলকে হেয় করার অপপ্রয়াসের সমালোচনা করা হয়। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচায়ক নয়, সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকিস্বরূপ।

সবশেষে এনসিপির হান্নান মাসুদ, আসিফ মাহমুদ, সাদিক কায়িমসহ সংশ্লিষ্টদের জাতির কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং মিথ্যা অপপ্রচারের দায় স্বীকারের আহ্বান জানান তিনি।

পোস্টের উপসংহারে তিনি সত্য প্রতিষ্ঠা, অপপ্রচার বন্ধ এবং স্পর্শকাতর ইস্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের সংস্কৃতি পরিহারের আহ্বান জানান।

পড়ুন:স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রীর স্বপ্ন দেখছে পাবনা ৫, শিমুল বিশ্বাসকে ঘিরে উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা

দেখুন:পিরোজপুরে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগ হাতপাখা সমর্থকের বিরুদ্ধে | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন