সরকারি পদে অসদাচরণের অভিযোগে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ পিটার ম্যান্ডেলসনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে তাঁকে জামিনও দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ রাজনীতিতে প্রভাবের কারণে ম্যান্ডেলসন ‘প্রিন্স অব ডার্কনেস’ নামে পরিচিত।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকাকালে সরকারি পদে অসদাচরণ করেছিলেন ম্যান্ডেলসন। ওই সময় তিনি যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সচিব ছিলেন। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার রাতে লন্ডনের বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। কিছুক্ষণ পর আরেকটি গাড়িতে করে তাঁকে বাসার সামনে নামিয়ে দেওয়া হয়।লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, তদন্তের স্বার্থে ম্যান্ডেলসনকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। একই কারণে বিস্তারিত তথ্য দিতেও রাজি হননি পুলিশের মুখপাত্র।
ম্যান্ডেলসন ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বাণিজ্য সচিবের দায়িত্বে থাকার সময় তিনি বাজার-সংবেদনশীল তথ্য এপস্টেইনের কাছে পাচার করেছিলেন। যদিও এর আগে এমন অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন লেবার পার্টির সাবেক এই নেতা।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের গোর্টন এবং ডেন্টনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনের ঠিক কয়েকদিন আগে ম্যান্ডেলসনের এই গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সমালোচকরা বলছেন, ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া ছিল স্টারমারের অন্যতম ভুল সিদ্ধান্ত।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে কয়েকদিন আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রাজপরিবারের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু আলবার্ট। এরপর ম্যান্ডেলসনকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলো।
পড়ুন:১৫ নয় ট্রাম্পের নতুন ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হলো
দেখুন:আরাভকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: আইজিপি
ইমি/


