০১/০৩/২০২৬, ১৬:৫৪ অপরাহ্ণ
34.4 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ১৬:৫৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এপ্রিলে নয়, ঈদের পরেই প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার নির্দেশ

এপ্রিলে নির্ধারিত সময়সূচি বাতিল করে ঈদের পরপরই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন এগিয়ে এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোড এলাকায় এনটিআরসিএ কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। 

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনে বিজি প্রেস–এর সঙ্গে সমন্বয় করে কীভাবে নির্ধারিত সময়ের আগেই পরীক্ষা আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন । 

সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি আরও নির্দেশনা দেন, যাতে ঈদের পরপরই পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায় এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

এদিকে জানা গেছে, ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে প্রার্থী বাছাই করা হবে। আর এ নিয়োগে ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক আবেদন করেছেন। 

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছিলেন, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠান প্রধান পদের নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই অফিস আদেশ জারি করা হবে।

মূলত, এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে তা চলে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এনটিআরসিএর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা, ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। লিখিত পরীক্ষার সময় থাকবে এক ঘণ্টা। এতে মোট ৮০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০ দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে প্রতিটি অংশে আলাদাভাবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বশেষ জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

পড়ুন:লীড মার্কেটিং বিডির শুভেচ্ছাদূত হলেন মুনমুন

দেখুন:টিভি অভিনয়শিল্পীদের কার কত পারিশ্রমিক?

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন