আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। এ ইস্যুতে আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র অভিযোগ তুলে কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার কথাও জানিয়েছেন।
তবে পাকিস্তানের এমন অবস্থান ভালোভাবে নেয়নি আইসিসি। পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের পথ অনুসরণ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে আইসিসির একাধিক সূত্র।
সম্প্রতি আইসিসি সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান বিশ্বকাপে না খেললে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—কোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না পাওয়া, পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য এনওসি না দেওয়া এবং এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ হারানো।
এর আগে মহসিন নাকভি আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে স্পষ্ট অন্যায় করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আইসিসি একই পরিস্থিতিতে একেক দেশের ক্ষেত্রে একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
নাকভি বলেন, বাংলাদেশ একটি বড় স্টেকহোল্ডার। তাদের সঙ্গে এমন আচরণ হওয়া উচিত নয়। একটি দেশ যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অথচ অন্য দেশের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যায়।
তিনি আরও জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বিদেশ সফর থেকে দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এ বিষয়ে এখনো আইসিসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
পড়ুন : বিশ্বকাপ বয়কটের গুঞ্জন ছড়িয়ে স্কোয়াড ঘোষণা করল পাকিস্তান


