এখন থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এক টনের বেশি ওজনের ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিমানবাহিনীর কমান্ডার মাজিদ মুসাভি বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা ও আক্রমণের পরিধি আরও বাড়তে থাকবে।
সোমবার (৯ মার্চ) তিনি এসব কথা বলেন। ইরান ইন্টারন্যাশনালের বরাতে এ খবর জানিয়েছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।
ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা হামলা চালাচ্ছে ইরান। গত বছরও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান এসব বোমা ব্যবহার করেছে। তবে এবার এক টনের বেশি ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে ক্লাস্টার বোমাও থাকবে কি না, সে বিষয়ে অবশ্য অস্পষ্টতা রেখেছেন মাজিদ মুসাভি।
যদিও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করছে, ইরানের ছোড়া ৭৫ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে ইসরায়েল। তবে গত শনিবার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির মুখে ইসরায়েলে সাইরেনের সংখ্যা বেড়েছিল।
এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় সামরিক বিশ্লেষক মার্টিন স্যাম্পসন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ইরান দুর্বল হয়ে পড়লেও তাদের হাতে এখনও শক্তিশালী অস্ত্রের জোগান আছে। ইরানের কাছে শক্তিশালী অস্ত্রের যে মজুত, তা দিয়ে আরও বৃহৎ হামলা সম্ভব।
পড়ুন: তেহরানে ভয়াবহ বোমাবর্ষণ, নিহত অন্তত ৪০
আর/


