বিজ্ঞাপন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন চলাচলে নীতিমালা প্রণয়ন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন চলাচলে সুশৃঙ্খল ট্র্যাফিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সবসময় নির্ধারিত লেনের মধ্যে গাড়ি চলাচলসহ বেশ কিছু নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নীতিমালাগুলো হলো:
অতিরিক্ত গতি দুর্ঘটনার কারণ, তাই এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচলের গতি নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে থাকতে হবে।

ভিডিও নজরদারির মাধ্যমে গতিসীমা রেকর্ড করা হবে এবং নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করলে স্পিড ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও মামলা করা হবে।

বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল করলে এবং একই গাড়ি তিন বারের বেশি গতিসীমা লঙ্ঘন শনাক্ত হলে ভবিষ্যতে ঐ গাড়ি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে।

সুশৃঙ্খল ট্র্যাফিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সবসময় নির্ধারিত লেনের মধ্যে গাড়ি চলাচল করতে হবে।

সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া লেন পরিবর্তন করা হলে ঐ গাড়ির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি থামানো বা পার্কিং কঠোরভাবে নিষেধ।

যান চলাচলে গাড়ি বা মেশিনারিজ ত্রুটি বা অন্য যেকোনো সমস্যা অনুভব করলে জরুরি লেনে যেতে হবে এবং দ্রুত এক্সপ্রেসওয়ের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

টোল প্লাজা, টোল সংগ্রহের বুথ, লেন এবং এর এক্সপ্রেসওয়ের অবকাঠামোগত যেকোনো ক্ষতির জন্য যানবাহনের মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

উন্মুক্ত যান, অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গত করে এমন যানবাহন, যাত্রীরা দাঁড়িয়ে যাতায়াত করে এমন খোলা যানবাহন, নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে এমন অনুপযুক্তভাবে সুরক্ষিত পণ্যবাহী যান চলাচল কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধ ঘোষণা করবেন।

এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী নামানো সম্পূর্ণ নিষেধ। কোনো যাত্রীবাহী বাস অথবা অন্য কোনো যানবাহন যদি এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী নামান তাহলে ওই গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতিটা যানবাহন একটির সাথে আরেকটির নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

যানবাহন থেকে যেকোনো জিনিসপত্র (যেমন টোল টিকেট, টিস্যু পেপার) এক্সপ্রেসওয়েতে ছুড়ে ফেলা নিষেধ।

মানষিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ এবং গাড়ি ড্রাইভিং করার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ন নিষেধ।

অ্যালকোহল, ড্রাগ বা অন্য কোনও নেশাদ্রব্য বা ক্ষতিকারক কিছু গ্রহণ করে গাড়ি ড্রাইভিং করা কঠোরভাবে নিষেধ।

টোল প্লাজার লেনে প্রবেশের সময় পণ্যবাহী ট্রাক/পিকআপ, পণ্যসমূহ যথাযথভাবে ঢেকে এবং বেঁধে রাখতে হবে।

নির্মাণ কাজে নিয়োজিত কোনো ধরনের ভারী ও ধীরগতির যানবাহন টোল লেন এবং এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশের অনুমতি নেই।

দুই বা তিন চাকার গাড়ি এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশের অনুমতি নেই।

একটি যানবাহন অন্য একটি যানবাহনকে দড়ি বা অন্য অনুপযুক্ত উপায়ে বেঁধে টেনে নিয়ে টোল লেনে প্রবেশের অনুমতি নেই।

এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তার জনিত কারণে, কোনো ধরনের খোলা ট্রাক পিকআপ যাতে মানুষ রয়েছে, তা টোল লেনে প্রবেশ করতে পারবে না।

টোল লেনে প্রবেশের সময় যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটারের নিচে থাকতে হবে। অন্যথায় বড় যানবাহনের কারণে লেনের দেওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার ক্ষতিপূরণ যানবাহনের মালিকের বহন করতে হবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সব ব্যবহারকারীকে সচেতনতার এই নীতিমালা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এনএ/

দেখুন: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল সর্বনিম্ন ৮০, সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন