বিজ্ঞাপন

ওমানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের সরাসরি বৈঠক আজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা যখন কেবলই বাড়ছে, তখন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে উত্তেজনা কমানোর গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আলোচনাটি ওমানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ওমানে এই বৈঠক হচ্ছে এমন এক সময়ে যখন গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে সহিংস অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, ওই দমন-পীড়নে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। বৈঠকের স্থান ও আলোচনার পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে উত্তেজনা কমাতে এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

অবশ্য দুই দেশ এখনও নিজ নিজ অবস্থানে অনড়। তবে আলোচনায় অগ্রগতি হলে ভবিষ্যতে বিস্তৃত আলোচনার একটি কাঠামো তৈরি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করবে এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পরিত্যাগ করবে। ওয়াশিংটনের মতে, আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন এবং নিজ নাগরিকদের সঙ্গে আচরণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

ইরান অবশ্য বলছে, আলোচনা কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই হবে। এই মতপার্থক্য আদৌ মিটেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সমঝোতা না হলে ইরানে হামলা চালানো হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে হাজার হাজার সেনা, একটি বিমানবাহী রণতরীসহ যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে। আর এটাকে ট্রাম্প ‘নৌবহর’ বলে উল্লেখ করেছেন। ইরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, হামলা হলে তারা শক্ত হাতে জবাব দেবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

পড়ুন: দক্ষিণাঅঞ্চলের কয়েক জেলায় জামায়াতের নির্বাচনি জনসভা আজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন