২৫/০২/২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
25.6 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল শাহবাগ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজও উত্তাল রয়েছে শাহবাগ চত্বর।

বিজ্ঞাপন

আজ দুপুর ২টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চ। দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-জনতা জড়ো হতে থাকলে ধীরে ধীরে মানুষে পূর্ণ হয়ে ওঠে শাহবাগ এলাকা। সবাই স্লোগানে-স্লোগানে উত্তাল করে তুলছেন পুরো এলাকা।

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে সংহতি জানিয়ে উত্তরা থেকে আইইউবিএটি, শান্ত মারিয়াম, উত্তরা ইউনিভার্সিটি ও বিজিএমইএ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শাহবাগে এসে যোগ দেয়। এ সময় ‘এ লড়াইয়ে জিতবে কারা, হাদির সৈনিকেরা’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ-জিন্দাবাদ’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ, ইনসাফ-ইনসাফ’সহ নানা স্লোগান দেন।

এর আগে গতকাল শনিবার রাতে সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের শাহবাগে চলমান অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেন।

এদিকে গতকাল রাত ১১টার দিকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী শাহবাগে আসেন। সেখানে উপদেষ্টা আন্দোলনরত জনতার উদ্দেশে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি তুলে ধরেন। ৭ জানুয়ারির মধ্যে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীনই শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

গত ১২ ডিসেম্বর রিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে সেখান থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আনা হয়। পরবর্তীকালে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। কিন্তু ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

পড়ুন: হাদির হত্যাকারী ফয়সাল ও আলমগীর ভারতে পালিয়েছে: ডিএমপি

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন