বিজ্ঞাপন

কংসের তীর কাটছিল বেকো মেশিন: জরিমানা গুনলেন বিএনপি নেতা

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় কংস নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে ইউসুফ খান (মেম্বার) নামের এক স্থানীয় বিএনপি নেতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের কৈলাটি এলাকায় কংস নদীর তীরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজেদুল ইসলাম।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র কংস নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ব্যবসা করে আসছিল। এর ফলে নদীর পাড় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের ছোট কৈলাটি মৌজার গাংপাড়া এলাকায় কংস নদীর তীরে আকস্মিক অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, শক্তিশালী এক্সেভেটর (ভেকো) মেশিন দিয়ে নদীর পাশ থেকে নির্বিচারে মাটি কাটা হচ্ছে। এ সময় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সাথে সরাসরি জড়িত থাকায় আসমা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউসুফ খানকে (মেম্বার) ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়। পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং নগদ তা আদায় করা হয়।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম জানান, ‌‘অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করে ওই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং নদীর পাড় ভাঙন রোধে প্রশাসনের এ ধরণের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও আমাদের আকস্মিক অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ চলমান থাকবে।’

প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তারা নদী ও কৃষি জমি রক্ষায় নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।

পড়ুন:পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৪ কর্মকর্তাকে বদলি

দেখুন:নওগাঁ নির্বাচনী জনসভায় যা বললেন জামায়াত আমির

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন