বৃষ্টির দিনে বাজারে কমেছে ক্রেতার উপস্থিতি। সেই সাথে কমতির দিকে শাক সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজি মিলছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। কোরবানি ঈদের সামনে রেখে ক্রেতা বিক্রির অসন্তোষ মসলার দামে। মাছ মাংসের দর বরাবরের মতো বাড়তির দিকে।
নিম্নচাপের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে রাজধানীর বাজারগুলো অনেকটাই ক্রেতাহীন। ফলে কমেছে বেচা-বিক্রি। বৈরী আবহাওয়ার সাথে পর্যাপ্ত সরবরাহে সবজির দর কিছুটা নিন্মমুখী। প্রায় সবজি কেজিতে কম ১০ থেকে ২০ টাকা। ৫০ টাকার শশা ৪০ টাকা। ৮০ টাকার কাকরোল ৬০ টাকা। বেগুন, পটল, লাউও ৬০ টাকা।
সপ্তাহ খানেক ব্যবধানে কোরবানির ঈদ। তবে গরম মসলার গরমে টেকা দায়। কারন ছাড়াই বেড়ে চলছে এলাচেরর দাম। টিসিবির তথ্য মতে বছর ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে আমদানি পণ্যটির দর। তবে জিরা, লবঙ্গ, দারুচিনি আর গোল মরিচের দামে নেই উৎসবের প্রভাব।
মাছের বাজারও বাড়তির দিকে। ইলিশ কেজিতে দুই থেকে তিনশো টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজারে। বোয়াল ৬০০ টাকা, আইর হাজার টাকা আর রুই-কাতলা চার থেকে সাড়ে চারশো টাকা। বিপাকে সাধারণ মানুষ।
মাংসের বাজারও রীতিমতো চড়া। খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও গরু কেজিতে বেশি ৩০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায়। সব ধরনের মুরগীর দরও বাড়তি। সপ্তাহে ব্যবধানে পোল্ট্রি ১০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা, সোনালী ১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২৬০ টাকা আর দেশী মুরগী কেজি প্রতি বাড়তি ৩০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকায়।
নিত্য পণ্যের বাজার ক্রেতা নাগালে আনতে মনিটরিং ব্যবস্থা আরো জোরদার করার দাবী সাধারণ মানুষের।
এনএ/


