বিজ্ঞাপন

কর্মময় জীবনের ইতি: আনন্দ মোহন কলেজে প্রফেসর সায়মা বেগমকে আবেগঘন বিদায়

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী আনন্দ মোহন কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সায়মা বেগমের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দের আয়োজনে এক আড়ম্বরপূর্ণ ও আবেগঘন পরিবেশে বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তি টেনে অবসরে যাওয়া এই গুণী শিক্ষককে সম্মান জানাতে বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সহকর্মীরা একত্রিত হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মো. মাহবুব-উল-আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আনন্দ মোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সাকির হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর মিছবাহ উদ্দিন আহমদ।

বিদায় সংবর্ধনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহের শিক্ষাঙ্গনের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু তাহের, আনন্দ মোহন কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. নুরুল আফছার, ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (মহিলা) অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন এবং ত্রিশাল সরকারি নজরুল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জান্নাতুল ফেরদৌস।

অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিদায়ী শিক্ষকের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সায়মা বেগমের আগামী দিনের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদায়ী অতিথি প্রফেসর সায়মা বেগমের উদ্দেশ্যে মানপত্র বা শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ। মানপত্রটি রচনা করেন কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম সিদ্দিকী। ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব এ.বি.এম. মুসলিমা আখতার শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ করেন এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী অতিথির হাতে তুলে দেন।

শ্রদ্ধাঞ্জলিতে প্রফেসর সায়মা বেগমকে ‘মহীয়সী’, ‘সুহৃদ’ এবং ‘মমতাময়ী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দীর্ঘ কর্মজীবনে তার প্রজ্ঞা, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি অপরিসীম মমতা এবং বিভাগের সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রফেসর সায়মা বেগমের কর্মময় জীবনের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশেষ ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন প্রফেসর মিছবাহ উদ্দিন আহমদ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুচারুরূপে সঞ্চালনা করেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ কুমার হালদার। অনুষ্ঠানে কলেজের অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে তাদের প্রিয় শিক্ষ ককে ফুলেল শুভেচ্ছায় বিদায় জানান।

পড়ুন- নাটোরে বোতলে তেল না দেওয়ায় পাম্প কর্মচারীর উপর হামলা

দেখুন- কক্সবাজারে বাড়ছে হাম আক্রান্তের সংখ্যা, ১ শিশুর মৃ-ত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন