ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তেল পাম্পে মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় ট্যাগ অফিসার সোহাগ আলীর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ট্যাগ অফিসার সোহাগ আলী উপজেলার ৩নং কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে কর্মরত আছেন।
জানা গেছে, শহরের আয়েশা তেল পাম্পে দুইজন ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। এরমধ্যে উপসহকারী পাট কর্মকর্তা ফারুক হোসেন ও ৩নং কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সোহাগ আলী। বুধবার সকাল ৭ টা থেকে আয়েশা পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়। কিন্তু তিনি আসেন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে। এরপর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ দিয়ে নিজের গাড়ির ট্যাংকি পরিপূর্ণ করেন। তিনি প্রত্যেককে ৫০০ টাকার বেশি তেল না দেওয়ার কথা বললেও নিজের পরিচত ও আত্মীয়দের কাছে ইচ্ছামতো তেল দিতে বলেন। বোতলে তেল দেওয়া নিষেধ থাকলেও তিনি দিচ্ছেন। এ নিয়ে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যায়।
আয়েশা পাম্পে তেল নিতে আসা মিজানুর রহমান জানান, ভোর থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু আমার মোটরসাইকেলের জন্য ৫০০ টাকার তেল দিলেন। আর ট্যাগ অফিসারের নিজের গাড়ির ট্যাংকি পরিপূর্ণ করে নিলেন। এছাড়াও ট্যাগ অফিসার তার পরিচিত অনেকের কাছে ইচ্ছামতো তেল দিতে বলেছেন।
ট্যাগ অফিসার ও ৩নং কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সোহাগ আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি প্রত্যেককে ৫০০ টাকার তেল দিতে বললেও কাউকে বেশি দিতে বলিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার গাড়িতেও তো তেল নিতে হবে। তাই আমি গ্রাম পুলিশ দিয়ে আমার গাড়িতে তেল নিয়েছি।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, কে কত টাকার তেল নিতে পারবে এটা পাম্প মালিক নির্ধারণ করবে। নিয়ম-কানুন ও আইনশৃঙ্খলা দেখার জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক তার চাহিদামতো জ্বালানি তেল নিতে পারবে।
পড়ুন- আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাংলাদেশি নিহত
দেখুন- পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রীর উদ্দেশে সংসদে যা বললেন হাসনাত


