কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল হচ্ছে নতুন বাজেটে। সমালোচনার মুখে অন্তবর্তী সরকার অবৈধ অর্থ সাদা করার সুযোগ বাতিল করতে পারে। এর বাইরে বড় কোন পরিবর্তন ছাড়াই অধ্যাদেশ আকারে কাল পাস হচ্ছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট। বিশ্লেষকরা বলছেন, চাপে থাকা অর্থনীতিকে নতুন বছরেও মোকাবিলা করতে হবে চাপ।
নির্বাচিত সরকার নেই, কার্যকর নেই জাতীয় সংসদ। প্রতিবছর বাজেট নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়, সংসদ সদস্যরা মতামত দেন। কিন্তু এবার সে সুযোগ নেই।
গত ২ জুন বাংলাদেশ টেলিভিশনে ভাষণ নিয়ে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ উপদেষ্টা। প্রস্তাবিত ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের বড় কোন পরিবর্তন ছাড়া, তা পাস হচ্ছে আগামীকাল। বিশ্লেষকরা বলছেন, নানা চড়াই উৎরাই গেছে চলতি অর্থবছরে।
বড় কোন পরিবর্তন থাকছে না চূড়ান্ত বাজেটে, যা গেজেট আকারে পাস করবেন রাষ্ট্রপতি। তবে, শেষ পযন্ত তীব্র সমালোচনার মুখে বাতিল হতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ। যদিও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতসহ অর্থনীতি পূনর্গঠনের পদক্ষেপ তারা পেলেন না অন্তবর্তী সরকারের বাজেটেও।
চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা কম, নতুন বাজেট। তবে, উন্নয়ন ব্যয়ে লাগাম টানা হলেও, সুযোগ নেই পরিচালন ব্যয় কমানোর। আর গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে সুদ ব্যয়।
আপস রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যার প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা জোগান দেবে এনবিআর। আর বাজেট ঘাটতি সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা।
এনএ/


