শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬ থেকে সাড়ে ৬ টার দিকে মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন ৬নং ওয়ার্ডের রওশন মার্কেট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত গৃহবধূ আমিরুন নেছা (২৮) একই থানার এনায়েতপুর এলাকার লাট মিয়ার মেয়ে। নিহত আমিরুন নেছা স্বামী বাবুল মিয়ার সঙ্গে বাবুল মিয়ার বাড়িতে বসবাস করতেন।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহতের স্বামী বাবুল মিয়া জানান, আমিরুন নেছা তার তৃতীয় স্ত্রী। নিহত আমিরুন নেছার সাথে অন্য স্ত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। সেই বিরোধের জেরেই হয়তো বড় স্ত্রীর ছেলে রাব্বি হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনাটি ঘটায়।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সকাল
আনুমানিক ৬ টার দিকে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে চা পান করতে যাই। কিছু সময় পর বাসায় ফেরত এসে বিছানার উপরই আমার রক্তাক্ত স্ত্রীর নিথর দেহ দেখতে পাই।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বেও রাব্বি তার বাবাকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে জমি বিক্রির কয়েক লাখ টাকা লুট করে নিয়েছিল বলে অভিযোগ আছে। জিএমপির কোনাবাড়ি জোনের সহকারী কমিশনার আবু নাসের আল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এ ঘটনায় মামলা রুজু করা হবে।
পড়ুন:শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
দেখুন:মাদারীপুরে ঘরের তালা ভেঙে বৃদ্ধার ঘরে যা দেখলো পুলিশ
ইম/


