ভোলার তজুমদ্দিনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান (কীর্তন) দেখে বাড়ি ফেরার পথে এক বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রবিবার রাতে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়ন এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে রাকিব নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দড়ি চাঁদপুর গ্রামের পলি রানী দাস রবিবার সন্ধ্যায় আড়ালিয়া অনিল বাবাজির আশ্রমে কীর্তন দেখতে যান। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে শাকিল, রাকিব ও রাসেল নামে তিন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক কীর্তন মাঠের উত্তর-পশ্চিম পাশের একটি নির্জন বাগানে নিয়ে তারা পালাক্রমে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।
আজ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টার দিকে স্থানীয়রা চাঁদপুর শশীগঞ্জ এলাকার বিশ্বজিৎ ডাক্তারের বাড়ির সামনে ভিকটিমকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
এ বিষয়ে ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে জানান ভুক্তভোগী নারী কীর্তন দেখে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাকিব নামে একজনকে আটক করেছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতেও পুলিশি তৎপরতা ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে, তজুমদ্দিন থানায় এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পড়ুন : চরফ্যাশনে আইন-শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসন সংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত


