কুড়িগ্রামে চরমোনাই মাহফিলের নমুনায় তিন দিন ব্যাপী মিনি ইজতেমা শুরু হয়েছে।জেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা মুসল্লিগণ ইজতেমা মাঠে অবস্থান নিচ্ছেন।অনেকে দুই দিন আগ থেকে অবস্থান নেয়া শুরু করেছে বলে জানান ইজতেমা আয়োজক কমিটি।ইজতেমাকে ঘিরে জোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহঃস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ধরলা নদীর পূর্বপাড়ে
ফজলুল করিম (রহ.) জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে বাংলাদেশে ইসলামি আন্দোলনের আমির, সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাইয়ের উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইজতেমার সূচনা করেন।
এর আগে পীর সাহেব চরমোনাই ইজতেমা ময়দানে পৌঁছালে কুড়িগ্রাম জেলা মোজাহিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানান। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি ইজতেমা মাঠে প্রবেশ করেন।
পীর সাহেবের আগমনকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ময়দানে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর ও ধর্মীয় পরিবেশ। মাঠজুড়ে উপস্থিত হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লির মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনদিনব্যাপী এই ইজতেমা আগামী রবিবার সকালে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। ইজতেমায় কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
এদিকে কুড়িগ্রামে মিনি ইজতেমাকে ঘিরে মাঠের আশপাশ অসংখ্য দোকানপাঠ বসেছে।দুর দুরান্ত থেকে সড়ক ও নদী পথে লোকজনের আগমন ঘটছে।ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে মুসল্লিরা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ইবাদতসহ সকল ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন।
ইজতেমার আয়োজক কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ মমিন জেহাদি বলেন, বাংলাদেশে মোজাহিদ কমিটি কুড়িগ্রাম জেলার শাখার ব্যবস্থাপনায় চরমোনাইয়ের তিনদিন ব্যাপি ইজতেমা আজ থেকে শুরু হয়েছে। যা আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
পড়ুন- রাজবাড়ীতে আর্ন্তজাতিক অভিবাসী ও প্রবাসী দিবস উপলক্ষে জবফেয়ার অনুষ্ঠিত


