১৪/০১/২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কুমিল্লায় স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে ব্রিকফিল্ডে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক নারীর ওপর স্বামীর সহায়তায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তিন দিন ধরে ব্রিকফিল্ডে আটকে রেখে ওই নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের মিরশ্বানী এলাকার ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ডের শ্রমিকদের থাকার ঘরে (লেবার শেড)। শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারী নিজেই চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—নোয়াখালীর সুধারাম থানার রামহরিতালুক গ্রামের রাজু আহমেদ (২৬), তার সহযোগী বেলাল হোসেন (৩৫), হৃদয় (২৫), মহিন উদ্দিন (২৬) ও আবুল কালাম (৪৫)। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, শুক্রবার রাতে অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজু আহমেদ ও ওই নারীর বিয়ে হয় ২০২৩ সালে। রাজু মাদকাসক্ত হওয়ায় তাদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি হয়। পরে নারীটি বাবার বাড়ি চলে যান। চলতি মাসের শুরুতে পারিবারিকভাবে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন হয়।

১৫ অক্টোবর কুমিল্লা শহরে থাকার কথা বলে রাজু তার স্ত্রীকে নিয়ে যায় চৌদ্দগ্রামের ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ডে। সেখানে রাজুর সহযোগী বেলাল হোসেন তাদের থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর রাতে রাজুর সহায়তায় বেলাল প্রথমে নারীটিকে ধর্ষণ করে। এরপর তিন দিন ধরে ব্রিকফিল্ডের শ্রমিক হৃদয় ও মহিন উদ্দিন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। ২০ অক্টোবর রাতে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে নারীটি চিৎকার শুরু করেন, তখন তাকে মারধর করে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করা হয়।

পরে অন্য শ্রমিকরা ঘটনাটি জানতে পেরে নারীর বাবাকে খবর দেয়। স্থানীয়দের সহায়তায় বৃহস্পতিবার তাকে উদ্ধার করা হয়।

ওসি হিলাল উদ্দিন বলেন, “এই ঘটনায় নারীটি অত্যন্ত মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। আমরা দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করব।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কুমিল্লায় নিজ ঘরে নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন