কুয়েতে বিষাক্ত মদ তৈরি ও বিতরণের অভিযোগে সম্প্রতি দ্য টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। দ্য টাইমসের ১৭ আগস্ট, ২০২৫-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, এই অপরাধী চক্রের মূলহোতা একজন বাংলাদেশি নাগরিক।
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন ১৮ আগস্ট সোমবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
দূতাবাস বিবৃতিতে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে বলেছে, ‘‘BANGLADESHI, NEPALI and INDIAN ARRESTED IN TOXIC LIQUOR CASE’’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে ‘ডেলোরা বারকাশ দারাজি’ নামে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে মূলহোতা বলা হয়েছে।
দূতাবাসের মতে, প্রতিবেদনে উল্লিখিত নামটি বাংলাদেশি নামের ধরনের সঙ্গে অত্যন্ত অস্বাভাবিক হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৭ আগস্ট দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি ওয়াফরা থানায় গিয়ে আহমাদি জেলা তদন্ত অফিসের প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেন।
২৩ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্থানীয়ভাবে মদ তৈরি ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরাধ তদন্ত বিভাগ, মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ, ফরেনসিক বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক তদন্তের পর সালমানিয়া এলাকায় নেপালি নাগরিক ভুবন লাল তামাং-কে হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে বিষাক্ত মিথানল উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক বিশাল ধানয়াল চৌহান এবং অন্যজন নেপালি নাগরিক নারায়ণ প্রসাদ ভশ্যাল। এরাও এই বিষাক্ত তরল উৎপাদন ও বিতরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই চক্রের মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ডেলোরা প্রকাশ দরাজীকে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

