জামালপুরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলার ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোল পাম্পে সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য ১৭ জন ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তদারকির অংশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ডিপো থেকে পাম্পে আসা তেলের সরবরাহ ও মজুতের সঠিক হিসাব রাখবেন। পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় অন্তত তিনবার স্টকের তথ্য হালনাগাদ করবেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পাম্পগুলো নির্ধারিত সময় অনুযায়ী খোলা রাখা হচ্ছে কি না, স্টক রেজিস্টার ও ডিসপ্লে বোর্ড নিয়মিত আপডেট হচ্ছে কি না এবং গ্রাহকদের সঠিক মূল্যে ক্যাশ মেমো প্রদান করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এসব কর্মকর্তা।
জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে জামালপুর সদরে সর্বাধিক ৮ জন, সরিষাবাড়ীতে ৩ জন এবং মাদারগঞ্জে ২ জন ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মেলান্দহ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি পাম্পে একজন করে কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ-বিন-রশিদ জানান, জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে জামালপুর সদরের জাবেদ ফিলিং স্টেশনে আব্দুর রহমান, খাজা ফিলিং স্টেশনে মো. জাকির হোসেন এবং দেশ ফিলিং স্টেশনে সোহেল রানা দায়িত্ব পেয়েছেন। মেলান্দহের মেসার্স ইসলাম পেট্রোলিয়ামে মো. আরিফুর রহমান, ইসলামপুরের ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনে ডা. আব্দুল আলীম এবং সরিষাবাড়ীর ঝিনাই ফিলিং স্টেশনে মো. হাবিবুল্যাহ তদারকি করবেন।
এছাড়া বকশীগঞ্জের পরেশ চন্দ্র ফিলিং স্টেশনে মো. জাকারিয়া শাকা এবং মাদারগঞ্জের লাবণী ফিলিং স্টেশনে তৌফিকুল ইসলাম খালেকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা নিজ নিজ স্টেশনে মজুত ও বিক্রি পর্যবেক্ষণ করবেন।
জেলা প্রশাসনের এই ভিজিল্যান্স টিমের কার্যক্রমের ফলে জ্বালানি তেলের বাজারে স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
পড়ুন:দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা সিলিন্ডারবাহী ট্রাকের,হেলপার নিহত
দেখুন:চা বিক্রি করে সংসার চলে দিনাজপুরের জনপ্রতিনিধির |
ইমি/


