২৯/০১/২০২৬, ১৪:৫৯ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
২৯/০১/২০২৬, ১৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কেন্দুয়ায় মহিলা দলের কমিটিতে আওয়ামী লীগ ঘরানার নেত্রী


নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ৩নং দলপা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি ঘোষিত কেন্দুয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কমিটিতে আওয়ামী ঘরানার এক নেত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে অনুমোদিত উপজেলা মহিলা দলের কমিটিতে তাহমিনা আক্তার নামের এক নেত্রীর নাম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, তাহমিনা আক্তার অতীতে আওয়ামী মহিলা লীগের নেত্রী ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করেছেন।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দলপা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল লতিফ বিল্টু ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান রুবেল গত ২১ মে ২০২৫ ইং তারিখে এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আওয়ামী ঘরানার তাহমিনা আক্তারকে বিএনপির কোনো পদে রাখা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে। তাই আমরা তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।

তারা দাবি করেন, তাহমিনা আক্তার অতীতে আওয়ামী নেতাদের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার-পোস্টার প্রকাশ করেছিলেন, এর প্রমাণও তাদের কাছে রয়েছে।

কেন্দুয়া উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মিনা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, তাহমিনা আক্তার আওয়ামী লীগের সময় মহিলা লীগের নেত্রী ছিলেন এবং বিএনপি কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। এখন তাকে মহিলা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করায় আমরা চরমভাবে হতাশ।

তিনি আরও জানান, উপজেলা মহিলা দলের কমিটি অনুমোদনের বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়নি।

অন্যদিকে উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নুরনাহার আক্তার চায়না স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, আমার জানামতে তাহমিনা আক্তার আওয়ামী লীগের নেত্রী ছিলেন না। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্টু ভাইয়ের প্রস্তাবেই তার নাম কমিটিতে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত জেলা ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে দলীয় ঐক্য ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কেন্দুয়ায় ধানক্ষেতের ড্রেইনে মিললো যুবকের মরদেহ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন