বিজ্ঞাপন

কেরানীগঞ্জে ১২ তলা ভবনে আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট, সেনা-বিজিবি মোতায়েন

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার এলাকায় বহুতল ভবনের লাগা আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে ভবন থেকে ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে প্রেস ব্রিফিং করেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি জানান, ভবনের বেজমেন্ট থেকে আগুনের সুত্রপাত। যেখানে জুটের গোডাউন রয়েছে। ভবনের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখনো যারা ভেতরে আটকা রয়েছেন তাদেরও উদ্ধার করা হচ্ছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ধোঁয়ার কারণে কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। ভবনের বেজমেন্টে থাকা গোডাউনের প্রতিটা সাটার ভেঙে কাজ  করতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগুন একটা জায়গায় রাখতে পেরেছি, যেন অন্য ভবনে না ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত ৪২ জনকে উদ্ধার করেছি।’

আগুন লাগা ভবনে ক্যামিকেলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই পরিচালক। সেইসঙ্গে বিস্ফোরণেরও কোনো আলামত পাননি বলেও জানান তিনি।

এদিন ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে বাবুবাজার এলাকার ওই বহুতল ভবনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এটি মার্কেট কাম আবাসিক ভবন। নিচের অংশে জুট, পোশাকসহ বিভিন্ন জিনিস রয়েছে আর ওপরে আবাসিক।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ওসি (মিডিয়া) শাহজাহান সিকদার জানান, সর্বশেষ সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আগুন নিভেনি। এ পর্যন্ত মোট ৪২ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন সিঁড়ি দিয়ে ভবন থেকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। হতাহতের কোনো খবর এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হব।

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

পড়ুন : গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে আগুনে পুড়ল ২০-২২টি ঝুটের গুদাম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন