১৫/০১/২০২৬, ৪:০০ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৪:০০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

খাগড়াছড়ি জেলা হেফাজতে ইসলামের কমিটি গঠনের পরপরই ১৮ নেতার পদত্যাগ

দেশের অন্যতম ধর্মীয় ও অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর খাগড়াছড়ি জেলা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৫ টায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরের এফ এন এফ রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স হলে এ কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর্জা ইসমাইল সাদী। সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা হেফাজতের সভাপতি মাওলানা ফজলুল করিম ফারুকী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ক্বারী ওসমান নূরী।

কাউন্সিলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে হেফাজতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা ও তৃণমূল কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রচার-প্রসার, সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় নতুন কমিটি গঠন ও আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

কমিটি ঘোষণার পরপর কাউন্সিল বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মোঃ হেলাল উদ্দিন এর নেতৃত্বে কিছু নেতৃবৃন্দ এমন পকেট কমিটি মানিনা মর্মে উত্তেজিত হয়ে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ১৮ জন নেতৃবৃন্দ নতুন ঘোষণা হওয়া কমিটি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন।

তারা বলেন, আজকের যে কাউন্সিল গোপন ভোটের মাধ্যমে হওয়ার কথা ছিলো সেখানে কাউন্সিলর ছিলো পুরো জেলার ১১৫ জন। তারা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে কমিটির নেতা নির্বাচন করার কথা থাকলে এখানে এসে পতিত আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে যারা সুবিধাবোগী নেতাকর্মী ছিলো তাদের কথা শুনে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা ভোটের মাধ্যমে বাচাই না করে নিজেদের মতো কমিটি ঘোষণা করে। যা এই জেলার মানুষের জন্য কাম্য নয়। আমরা এই কমিটি মানিনা। কমিটির ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে ঘোষণা দেন। সেখান থেকে আমরা বিভিন্ন পদের ১৮ জন পদত্যাগ ঘোষণা করছি। আমরা এমন কমিটি কখনো মানবোনা।

তারা আরও বলেন, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে যদি কমিটি করা হতো তাহলে নেতৃবৃন্দরা খুব সুন্দরভাবে এই জেলার মানুষের কল্যানে কাজ করতে পারতো। কিন্তু এখন যে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এগুলো বেশিরভাগই আওয়ামীলীগ সরকারের পতিত। তারা শৈরাচার সরকারের আমলে ওদের গোলামী করেছে। বর্তমান সময়ে তাদের মাধ্যমে এই জেলার মানুষের কোনো উপকার হবেনা। যাদেরকে মূল দায়িত্বে রাখা হয়েছে তারা কেউ এই জেলায় থাকেনা। এখানকার বাসিন্দাও না। তাহলে এখানকার মানুষের কি খেদমত তারা করবেন। অবিলম্বে এই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট নতুন কমিটি নির্বাচন করা হোক।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন