মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া। সঙ্গে দুই পুত্রবধুও ফিরবেন। সেজন্য প্রস্তুত হচ্ছে এয়ার এম্বুলেন্স। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা বলছেন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্তিতিশীল। তিনি নিজেই দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কাতারের দেয়া বিশেষায়িত এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে আট জানুয়ারী চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রথান মন্ত্রী খালেদা জিয়া।
লন্ডনে পৌঁছে সরাসরি তাকে নেয়া হয় দ্যা লন্ডন ক্লিনিকে। সেখানে তিনি ১৭দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর তিনি তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় ছিলেন ওই ক্লিনিকের চিকিৎসকদের তত্বাবধানে।
তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন লন্ডনের চিকিৎসকরা তাকে বিশেষায়িত এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছেন।
এমন প্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র উদেষ্টাকে চিঠি দিয়েছেন। বিএনপি সুত্র বলছে, কাতার দুতাবাসেও যোগাযোগ করা হয়েছে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সের জন্য।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সাথে তারেক রহমানের সহধর্মিনী জোবায়দা রহমান ও তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সহ আট জনের একটা তালিকা দেয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে বিএনপির অনুরোধে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই তিনি দেশে খালেদা জিয়া।
বর্তমানে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।
পড়ুন: দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, প্রস্তুত হচ্ছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
দেখুন: খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত কাল |
ইম/


