বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে ও খোঁজখবর নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতলে এসেছেন ডাক্তার জুবাইদা রহমান। শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি হাসপাতালে আসনে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেলে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে দেশের পথে রওনা হয়ে শুক্রবার (০৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় জুবাইদা রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি। এরপর সকাল ১১টা ৫৪ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান তিনি।
এদিকে শুক্রবার খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কপি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে তার মেডিকেল বোর্ড। সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে বলেও জানিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই ঢাকায় আসবে কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কাতারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ম্যাডামের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে কাতারের রয়েল অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশ আসবে। সেইভাবে তারা এখন প্রস্তুত রয়েছে। মেডিকেল বোর্ড যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে, তখনই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসবে এবং বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যাবে। সবকিছুই কাতার কর্তৃপক্ষ অ্যারেজমন্টে হচ্ছে।
জার্মানি থেকে অ্যাম্বুলেন্স আসার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, জার্মানি থেকে অ্যাম্বুলেন্স আসার বিষয়টি ঠিক আছে। আমরা নই, কাতার কর্তৃপক্ষই জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থ করে দিচ্ছে। অর্থাৎ, বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য রয়েল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে সবকিছু হচ্ছে। এখানে আমাদের কিছু নেই।
পড়ুন : খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেয়ার বিষয়ে আজ রাতে সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য তারিখ ৯ ডিসেম্বর


