22.7 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

খুলনায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক কর্মশালা

‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা মঙ্গলবার দুপুর খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরকার। খুলনা বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, পরিবেশ দূষণ মোকাবেলায় বেশি করে গাছ রোপন করতে হবে। বর্তমান বিশে^ পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনরোধ করা একটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। পরিবেশ দূষণ আমাদের দ্বারাই সৃষ্ট, তাই পরিবেশ বিপর্যয় হবে এমন কাজ করা যাবে না। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ জলবায়ু পরিবর্তন শুধু একটি বৈশি^ক সমস্যা নয়, আমাদের জীবনধারার সাথে জড়িত।

জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. শাহ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ সাদিকুল ইসলাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ আনিসুজ্জামান সিকদার। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি ছাদেক আহমাদ।

কর্মশালায় জানানো হয়, পিকেএসএফ এর মাধ্যমে ৩৮টি প্রকল্প বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ১২টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। যার মধ্যে চারটি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সম্পর্কিত প্রকল্প এবং পাঁচটি পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রিক প্রকল্প। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু সহনশীল বসতবাড়ি উন্নয়ন, জীবিকায়ন উন্নয়ন এবং উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মাঝে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পটি উপকূলীয় সাতটি জেলার মোট ১৮টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। সরাসরি উপকারভোগীর সংখ্যা তিন লাখ ৬২ হাজার চারশত ৭৫ জন। প্রকল্পের মেয়াদকাল ১৭ আগস্ট-২০২৩ থেকে ১৬ আগস্ট-২০২৮ সাল পর্যন্ত। এই প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম জলবায়ু সহনশীল বাড়ি নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ ও বসতভিটা উঁচুকরণ। কাঁকড়া হ্যাচারি ও নার্সারি স্থাপন এবং জলবায়ু সহনশীল কাঁকড়া চাষ। মাচা পদ্ধতিতে ছাগল/ভেড়া পালন। লবণাক্ততা সহনশীল সবজি চাষ (বাড়ির আঙ্গিনায়) এবং বসতবাড়ির আঙ্গিনা ও স্থানীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপন। এছাড়া সৌরশক্তি চালিত রিভার্স ওসমোসিস পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে উপকূলীয় পরিবারগুলোর জন্য পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচিত তিনটি উপকূলীয় জেলা-খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরার মোট এক লাখ ৮০ হাজার উপকারভোগীকে সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ও মসজিদের ইমামগণ অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : খুলনায় উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মামলা, আসামি ৫০০

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন