উপকূলীয় পানি ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় নীতি, গবেষণা ও নাগরিক উদ্যোগের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত ৩য় কোস্টাল ওয়াটার কনভেনশন ২০২৬ আজ খুলনায় শেষ হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে।
সমাপনী দিনে পাঁচটি বিষয়ভিত্তিক সেশন শেষে ক্লোজিং প্লেনারিতে সম্মেলনের আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত ১২ দফা ‘খুলনা ঘোষণা’ আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। ঘোষণা পাঠ করেন কনভেনশন কমিটির সদস্য সচিব ও AOSED-এর নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফিন।
ঘোষণায় উপকূলীয় অঞ্চলে পানি ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা জোরদারের সুপারিশ করা হয়।
সমাপনী অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম। বিভিন্ন সেশনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন কোস্টাল ভয়েস অব বাংলাদেশের আবু হানা মোস্তফা জামাল, ডর্পের মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান, ওয়াশ বিশেষজ্ঞ মো. জাহিদুর রহমান ও কুয়েটের ড. তুষার কান্তি রায়।
খুলনা ঘোষণার ওপর মতামত প্রদান করেন লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের থিমেটিক লিড তামান্না রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সি৩ইআর-এর সহকারী পরিচালক রৌফা খানম, ডর্পের উপ-নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান এবং আইসিসিএডি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হক।
সমাপনী বক্তব্যে ওয়াটারএইড দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক খায়রুল ইসলাম বলেন, এই প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়াটার কনভেনশন ২০২৮ সফল করার জন্য এখনই কার্যকর প্রস্তুতি প্রয়োজন।
খুলনা ঘোষণার মাধ্যমে সম্মেলনটি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়ভিত্তিক, টেকসই ও সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনার আহ্বান জানিয়ে শেষ হয়।
পড়ুন : খুলনায় আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত


