খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খান মুরাদ (৪২) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সেনহাটি বক্সীবাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খান মুরাদ হাজীগ্রাম ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও খান মুনসুর আহমেদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে সাজ্জাদ ও আলামিনসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল মুরাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারীরা দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। হামলার সময় তার দুই হাঁটুর নিচের রগ কেটে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা গেছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
দিঘলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় কোনো ইস্যু না। কারা হত্যার সঙ্গে জড়িত তা শনাক্ত করা গেছে। খুব শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।
পড়ুন : নিজ এলাকায় চিকিৎসা সেবায় ব্যস্ত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন


