28.5 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ২০:৪২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

খুলনায় সাব রেজিস্ট্রার ভবনের ছাদ ধসে নষ্ট মূল্যবান নথি

ব্রিটিশ আমলে নির্মিত খুলনা সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের ভবন এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। নিয়মিত মেরামতের অভাবে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। এর আগেও ছাদের অংশ ভেঙে পড়ায় কয়েকজন আহত হন।

বিজ্ঞাপন

সবশেষ টানা বৃষ্টিতে মঙ্গলবার সকালে ছাদের মাঝের অংশ ভেঙে পড়ে। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও শতাধিক রেজিস্ট্রি বই পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বাঁশ ও জালের ছাউনির নিচে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, সব জায়গায় উন্নয়ন হলেও এই ভবনটি থেকে গেছে অবহেলায়। জরুরি ভিত্তিতে ভবন সংস্কারের দাবি সংশ্লিষ্টদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক বছর সংস্কারের অভাবে ভবনটির বিভিন্ন অংশের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। সবশেষ গত দু’বছর আগে ওই ভবনের প্রশাসনিক কার্যালয়ের পুরো ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। এটি খুলনার প্রাচীন একটি ভবন। ভবনটিতে রয়েছে খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার জমির মূল্যবান কাগজপত্র। সেখান থেকে মানুষ জমি বিকিকিনি এবং দলিল সংক্রান্ত কাগজ উঠানোর কাজ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক কিছুই বদলে গেছে, কিন্তু এই অফিস ভবনের কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রতিনিয়ত আমরা জান-জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি।

খুলনা সদর রেজিস্ট্রার অফিসের রেকর্ড কিপার মাবুবুুর রহমান বলেন, গত কয়েকদিনের টানাবৃষ্টিতে মঙ্গলবার ভোরের দিকে ভবনটির মাঝখানের ছাদের একাংশ পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিতে সেখানে রাখা প্রায় শতখানেক জমি রেজিস্ট্রি বই পানিতে ভিজে গেছে। বৃষ্টির পানি না আসতে পারে সেজন্য ছাদের ওপর পলিথিন দিয়ে চারজন শ্রমিকের মাধ্যমে রেকর্ড রুম পরিস্কার করা হচ্ছে। আর পানিতে যে ভলিয়ম বইগুলো ভিজে গিয়েছে তা সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে।

খুলনা জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষেক জানিয়েছি এবং ছবিও পাঠিয়েছি। অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চালানোর জন্য আশপাশে কোন ভবন পাওয়া যায় কিনা আমরা সেটিও দেখছি। এই মুহুর্তে যাতে আর কোন মূল্যবান নথি ভিজে না যায় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পড়ুন: ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে নেত্রকোনায় স্বাস্থ্য সহকারীদের অবস্থান কর্মসূচী

দেখুন: ‘দেশটাকে বাবার দেশ বলে আর কাউকে দাবি করতে দেওয়া হবে না’ |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন