১১/০২/২০২৬, ২১:৩০ অপরাহ্ণ
25 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ২১:৩০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

খুলনায় সহিংসতামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রার্থী ও নাগরিক সমাজের অঙ্গীকার

একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা। সহিংসতামুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রার্থী ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই)-এর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) খুলনার সিএসএস অভা সেন্টারে ‘সহিংসতামুক্ত নির্বাচন ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় খুলনা-২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। উপস্থিত প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতী আমানুল্লাহ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া সভায় গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), নারী উদ্যোক্তা সংগঠন, শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

গোলটেবিল আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সহিংসতামুক্ত ও দায়িত্বশীল রাখতে প্রার্থী ও নাগরিক সমাজের অঙ্গীকার নিশ্চিত করা। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে অঙ্গীকার করেন যে, তারা কোনো ধরনের নির্বাচনসংক্রান্ত সহিংসতায় জড়াবেন না এবং সহিংসতা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

একই সঙ্গে বক্তারা গণতান্ত্রিক আচরণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা, অনলাইন ও অফলাইন অপপ্রচার, ঘৃণামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষার ওপর জোর দেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই)-এর প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন,
“একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ, পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রার্থী ও নাগরিক সমাজের এই সম্মিলিত অঙ্গীকার নির্বাচনী সহিংসতা কমাতে এবং একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ সুগম করবে।

পড়ুন- নানার প্রচারণায় আমেরিকা প্রবাসী নাতিদের প্রত্যাবর্তন

দেখুন- কোস্টগার্ডের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে আটক মাসুম বাহিনীর ২ সদস্য

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন