বিজ্ঞাপন

খুলনায় এসটিএস পরিদর্শনে কেসিসি প্রশাসক: বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আসছে নতুন কর্মপরিকল্পনা

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এ খাতের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে একটি বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কঞ্জারভেন্সী বিভাগকে নতুনভাবে সাজানো হবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিনব্যাপী নগরীর বিভিন্ন সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে বিদ্যমান এসটিএসগুলোর দ্রুত সংস্কার কাজ শুরুর নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দৌলতপুর রেল স্টেশনের বিপরীত পাশ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কবির বটতলা, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাস্তুহারা এলাকার পুরাতন অ্যাসফল্ট প্লান্ট সংলগ্ন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের গোয়ালখালী কবরস্থান সংলগ্ন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের খালিশপুর নিউ মার্কেট এলাকা এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিউজপ্রিন্ট মিল সংলগ্ন এসটিএস পরিদর্শন করেন।

এ সময় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান ও মো. অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মোস্তফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকেলে কেসিসি প্রশাসক রূপসা শ্রম অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘পথ বাংলাদেশ’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, ইউনেস্কো-খুলনার সভাপতি নুরুল ইসলাম খান মিটু, ডা. রিফাত জাহান প্রমি এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম জুয়েল বক্তব্য দেন।

পড়ুন:পহেলা বৈশাখ ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেবে সরকার

দেখুন:ঝাড়ফুঁকের নামে ৪৩ বছর ধরে প্রতারণা করেন তিনি | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন