মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের থুয়ান্না স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান ফুটবল কাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির মেয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা। আর মেয়ের সেই খেলা পার্বত্য জেলা রাঙামাটি থেকে মোবাইলে দেখেছেন ঋতুপর্ণার মা বসুবতি চাকমা। গত বুধবার (২ জুলাই) খেলা শেষ করে ঋতুপর্ণা তার মাকে ভিডিওকল দিয়ে বলেছেন, ‘মা আমরা জিতে গেছি…’।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের বাঘিনী কন্যা ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের মঘাছড়ি গ্রামে। বুধবার ঋতুপর্ণার জোড়া গোলে মিয়ানমারকে ২-১ গোলো হারিয়ে প্রশংসায় ভাসছে ঋতুপর্ণাসহ পুরো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এদিকে, আনন্দে ভাসছে ঋতুপর্ণার গ্রামের বাড়ি মঘাছড়ি। মেয়ের জয়ে উচ্ছ্বাসিত ঋতুর মা বসুবতি চাকমা।
ঋতুপর্ণার মা বসুবতি চাকমা বলেন, মেয়েটি খেলা শেষ করে ভিডিও কল দিয়ে বলেছে, মা আমরা জিতে গেছি। আমি বলেছি, আর্শীবাদ থাকল বাংলাদেশের হয়ে যেন জিতে আসতে পারো। ভালো করে খেলো। মোবাইলে ঋতুর খেলা দেখেছি। মেয়ের গোল করতে গোল দেখতে পেরে আমি খুব খুশি হয়েছি। সেটা বলে বুঝাতে পারব না। এছাড়া এলাকার মানুষেরাও খুব খুশি। ঋতুরা যেন জিতে আসতে পারে সেটাই আর্শীবাদ করি। তারা জিতলে পুরো বাংলাদেশের নাম হবে। সবাই যেন তাদের জন্য আশীর্বাদ করে এই কামনা করি।
এদিকে, ঋতুপর্ণা চাকমা ছাড়াও নারী ফুটবল দলে বাংলাদেশ হয়ে খেলেছে পাহাড়ের আরও দুই কন্যা রূপনা চাকমা ও মনিকা চাকমা। গোলরক্ষক রূপনা চাকমার বাড়ি রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ভূঁইয়াদাম গ্রামে। আর মনিকা চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের সুমান্ত পাড়ায়। পাহাড়ি তিন কন্যার জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে পাহাড়ে।
পড়ুন: বাঁশখালীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
দেখুন: হিরো আলমের ওপর হাম লা: ৭ জন গ্রেপ্তার, ২ জন রিমান্ডে
ইম/


