১৪/০১/২০২৬, ২১:১১ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২১:১১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গজারিয়ায় ডালিম হত্যার মূল আসামীরা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ডালিম দেওয়ান হত্যাকান্ডের আসামীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের শফিউদ্দিন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদীর অভিযোগ, হত্যাকান্ডের মূল আসামীরা এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ঘটনার পর সোহাগ, শামিম ও মাহমুদুল হাসান রাব্বিসহ তিন আসামী গ্রেপ্তারের পর সোহাগ ও শামিম নামের দুই আসামী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। কিন্ত অপর আসামী রাব্বি এখনও স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়নি। বর্তমানে তারা জামিনে আছে।

মামলার বাদী মোহাম্মদ আমিনুল এহসান দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, গ্রেপ্তারের পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিত কামাল ও হোসেন এবং মুখোশ পরা আরও দুইজন হত্যাকান্ডের সময় উপস্থিত ছিল বলে উল্লেখ করেন শামিম। কিন্তু কামাল ও হোসেনসহ ৪ জন এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। কামালের নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় ডালিম দেওয়ানকে হত্যা করা হয় বলে সোহাগ ও শামিম নামের দুই আসামী জানিয়েছে।

বাদী বলেন, স্থলে হত্যার পর লাশ মেঘনার শাখা নদীতে ফেলে দেয় ঘাতকরা। নদী থেকে লাশ উদ্ধার হওয়ায় মামলাটি গজারিয়ায় ফাঁড়ির নৌ পুলিশ তদন্ত করছে। কিন্তু তাদের তদন্ত কার্যক্রমে গতি নেই। এর ফলে হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীসহ মূল হোতারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তাই মামলাটি সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার দাবী করেছে মামলার বাদী আমিনুল এহসান দেওয়ান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৬ মার্চ রাতে গজারিয়া উপজেলার পোড়াচক বাউশিয়া গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেন দেওয়ানের ছেলে ডালিম দেওয়ান (৩৫) নিখোঁজ হয়ে পড়ে। ৮ মার্চ বাউশিয়া ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রাম সংলগ্ন মেঘনার শাখা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় ডালিম দেওয়ানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ মার্চ গজারিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামীদের নামে হত্যা মামলা রুজু করা হয়। এর কিছুদিন পর পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য পেয়ে প্রথমে শামিম ও পরে মাহমুদুল হাসান রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যে সোহাগকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন