সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরের থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা গণনা শেষ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেয়া তথ্যমতে তার থেকে ৭৪ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। যদিও শুরুর দিকে ৫০ লাখ টাকা উদ্ধারের তথ্য জানা গিয়েছিল।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির আটক হন। পরে গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা মিলেছে।
তবে বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলে যেকোনো পরিমাণ অর্থ বহন করা যায় বলে জানিয়েছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগিব সামাদ।
রাগিব সামাদ বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। সৈয়দপুরে আটক জামায়াত নেতার সঙ্গে থাকা অর্থ বিষয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবগত করলে তারা এতে অনাপত্তি জানিয়েছিলেন।
এদিকে জেলা জামায়াতের আমিরের আটকের বিষয়টিকে ‘নাটক’ উল্লেখ করে ভোগান্তির জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
জুবায়েরের দাবি, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান ব্যবসায়ের টাকা বহন করছিলেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য একটি নাটক সাজিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব করছে। টাকার উৎস সম্পর্কে যথা সময়ে প্রমাণসহ বিস্তারিত জানানো হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, বেলাল উদ্দিনকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডোমিস্টিক টার্মিনাল থেকে অনাপত্তিপত্র দিয়েছিলেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক অনাপত্তিপত্র দিয়েছিলেন। সেই অনাপত্তিপত্র সঙ্গে থাকার পরও তাকে আটক করা হয়েছে। তিনি সৈয়দপুর পৌঁছানোর পর তাকে সেখানে হেনস্থা করা হয়েছে।
পড়ুন : গণনা শেষে জেলা জামায়াতের আমিরের কাছে মিলল ৭৪ লাখ টাকা


