বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও বাজারে অস্থির পরিবেশের প্রেক্ষাপটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) লেনদেন শেষে সূচকটি ৫৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৮১ পয়েন্টে, যা ২০২০ সালের ২৫ আগস্টের পর সর্বনিম্ন। এটি সূচকের টানা তৃতীয় দিনের দরপতন, যা বাজারে ব্যাপক মন্দাভাব এবং বিনিয়োগকারীদের হতাশার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দিনব্যাপী বাজারে লেনদেন ছিল চরমভাবে হতাশাজনক। স্টক এক্সচেঞ্জ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে হতাশ হওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টাও বিনিয়োগকারীদের আস্থা রাখতে পারেননি । অবস্থা এমন – যেন এই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পাপের খেসারত তাদের দিতে হচ্ছে পুঁজি হারিয়ে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পতনের বাজারে সুযোগ নিচ্ছে কোম্পানিগুলো (গ্রাফিক্স)। অনেকে করছে না ডিভিডেন্ড ঘোষণা। কেউ আবার দিচ্ছে না ঘোষিত ডিভিডেন্ডের টাকা। গোপনে ব্যাংক লোন নিয়ে আয় কম দেখাচ্ছে কোম্পানি। আবার অন্যত্র টাকা সরিয়ে ফেলছে কেউ কেউ। জেড ক্যাটাগরির নামে ফ্লোটিং শেয়ার নাটক ইস্যু বিনিয়োগকারীদের করছে বারংবার ক্ষতি। এসব চতুর্মুখী আক্রমণে পুঁজিবাজারে ভেঙ্গে পড়ছে একের পর সাপোর্ট লেভেল (গ্রাফিক্স)।
এসব দেখার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থা-স্টক এক্সচেঞ্জের থাকলেও সে ব্যর্থতার দায় নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগ সুরক্ষা নেই, তাই আস্থাও এখন গ্রামের বিদ্যুৎ সেবার মতো। যায় না, কিন্তু মাঝে মধ্যে আসে।
পড়ুন: ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে শেয়ারবাজার: আস্থা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ
দেখুন: ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে শেয়ারবাজার: আস্থা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ
এস


