গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জামায়াত নেতার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোবাবর সকাল সাতটার দিকে উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের শীতলগ্রামের বাগুরার বিলের ধারে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত নজরুল ইসলাম (৩৪) নাকাই ইউনিয়নের শীতলগ্রাম ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠনের শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের শীতল গ্রামের মৃত তোফজ্জল ইসলামের ছেলে।
পরিবারের লোকজন জানায়, নজরুল ইসলাম শীতল গ্রাম বাজারে একটি মনোহারি দোকানের পাশাপাশি বিকাশের ব্যবসা করতেন। তিনি মাঝে মধ্যই দোকানেই রাত কাটাতেন। পরিবারের লোকজন মনে করছেন গতকাল শনিবার রাতে দোকানদারী শেষ করে তিনি ওখানেই ঘুমাইছেন।
স্থানীয়রা জানায়, আজ সকালে হাটাহাটি করার করা সময় লোকজন বিলের ধারে রাস্তার পার্শ্বে এক ব্যক্তিকে শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে সেখানে গিয়ে দেখেন গলাকাটা একটি মরদেহ পরে আছে। পরে নিহতের পরিবার ও পুলিশকে তাঁরা খবর দেয়।
নিহতের ছোট ভাই নাজিরুল ইসলাম বলেন, আমি ভাই বিকাশে ব্যবসা করতেন। অনেক সময় অনলাইন জুয়ারু ও হ্যাকাররা অবৈধভাবে টাকা তুলতে আসত। তিনি এসব কাজে রাজি ছিলেন না। বেশ কয়েকদিন হলে তাঁরা আমার ভাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। এরই জেরেই আমার ভাইকে গত রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফেরার সময় গলাকেটে হত্যা করছেন। তিনি আরও বলেন, এলাকায় অনলাইন জুয়ারু ও হ্যাকারদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করলেই আমার ভাইয়ের হত্যার সাথে কারা জড়িত ছিল সহজেই বের হয়ে আসবে।
নাকাই ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বলেন, নজরুল ইসলাম সংগঠনের জন্য একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। এ হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারে মাঠে পুলিশ নেমেছেন।
পড়ুন: গাইবান্ধায় নারীসহ বিএনপির নেতা আটক
এস/


