22.7 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় ধর্ষককে গ্রেফতারসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জয়েনপুর গ্রামের নাইম মিয়া নামের এক যুবক ভূমিহীন পরিবারের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হওয়ায় আসামির পরিবার বাদিকে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে মারধর করে উল্টো মিথ্যা চুরির মামলা দিয়েছে। সেই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ অবিলম্বে ধর্ষক নাইমকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরী এন্ড ক্লাবের সামনে এ কর্মসুচি পালন করা হয়। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন, সাদুল্লাপুর ভূমিহীন আন্দোলনের নেতা কামরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আজাহার আলী, মাছুদ মিয়া, খলিলুর রহমান, ভিকটিমের নানা, বাবা ও মাসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে নাইম মিয়া একই গ্রামের এক কিশোরীকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়লে ধর্ষক নাইম ও তার পরিবার কৌশলে এই কিশোরীর গর্ভপাত ঘটায়। এ নিয়ে কিশোরীর মা জেলেখা বেগম বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। আর এই মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য ধর্ষকের বাবা শহিদ মিয়াসহ আরও অনেকে বাদি জেলেখা বেগম ও তার ভাগনি জামাইকে পরিকল্পিতভাবে রাস্তা থেকে উঠিয়ে বাড়িতে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন শহিদ মিয়া তার লোকজন। তখন খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত জেলেখাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এদিকে উল্টো থানার ওসির সঙ্গে আতাঁত করে জেলেখাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরি মামলা দিয়েছে শহিদের স্ত্রী শারমিন আক্তার। অথচ শারমিনের এই এজাহার তদন্ত ছাড়াই মামলা হিসেবে রুজু করেছে ওসি। রহস্যজনকভাবে ধর্ষককে গ্রেফতার না করা এবং ধর্ষিতার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হওয়া চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তারা। সেইসঙ্গে ধর্ষক নাইমের পরিবারের হুমকিতে বাড়িছাড়া হয়ে বেড়াচ্ছে ধর্ষিতার পরিবার। তাই অবিলম্বে ধর্ষক নাইমকে গ্রেফতারসহ বিবাদী শহিদ মিয়া গংদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ন্যায় বিচারের দাবি জানানো হয়।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রপাপ্ত কর্মকর্তা তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, মামলার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সরকারি গাড়ি নিয়ে শশুরবাড়ী সফর সেই এডিসি এখন গাইবান্ধায় বদলি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন