20.7 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় সেই মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আরও এক রোগীকে মারধরের অভিযোগ

গাইবান্ধায় জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে সাগর মিয়া (৩০) নামের আরও এক রোগীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এসব বিষয়ে আজ শক্রবার সন্ধ্যার দিকে সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি তদন্তধীন রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেই তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, গত ৯ ফেব্রুয়ারি একই কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন মানষিক ভারসাম্যহীন মুর্শিদ হক্কানীকে মারধর মামলায় পুলিশকে সাক্ষী দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে।

গত বছরের ২৮ আগষ্ট গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফারাজিপাড়া গ্রামের মুর্শিদ হক্কানীকে (৩৭) গাইবান্ধা শহরের ভি-এইড রোডের ‘জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আত্মীয়-স্বজনরা মুর্শিদ হক্কানীকে দেখতে যায়। এসময় মুর্শিদ হক্কানীর শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটা, ছেলাফুলা ও আঘাত-জখমের চিহ্ন দেখা যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে মুর্শিদ হক্কানী কেন্দ্রের ভিতরে থাকা অবস্থায় তার ওপর শারিরীক নির্যাতন ও মারধরের বর্ণনা দেয় যে, কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাধন (৩৫), লাবিব (৩২), শিহাব (৩৫), আতিফ (৩৬) ও তালহা (৩৫) তাকে কেন্দ্রের একটি আধাপাকা ঘরের ভিতরে নিয়ে মুখের ভিতরে কাপড় ঢুকিয়ে লোহার রড দিয়ে ডান ও বামহাতে, পিঠে, দুই উরুতে, দুইপায়ের হাটুতে, নাকের উপর, বামহাতের তালুতে মারধর করেন।

এদিকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভতি করা হয়। সেখানে ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাড়িতে নেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় নির্যাতনের শিকার যুবকের বড়ভাই আওরঙ্গ হক্কানী বাদী হয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সাতদিন পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রেকর্ডভুক্ত করা হয়।

এদিকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা সদর আমলী আদালত শুনানী শেষে আসামীদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গাইবান্ধায় পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন