১৪/০১/২০২৬, ১৩:৩২ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১৩:৩২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ১

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। জড়িত অভিযোগে সাব্বির হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার চন্দনপাট এলাকায়। তিনি ওই গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে। বাকি আসামিরা হলো একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে শান্ত (২৪) ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ভাঙ্গারী পাড়া এলাকার মোখলেছুর রহমান ওরফে মোক্তার হোসেনের ছেলে সুজন মিয়া (২৪)। আসামিরা তিনজন বন্ধু ।

বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার দুপুরে মামলার বরাত দিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, সাঘাটা উপজেলার ওসমানের পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী তার বাড়ি থেকে গত ২ সেপ্টেম্বর সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হয় । পথে তার প্রতিবেশি শান্ত মিয়ার ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা করে স্কুলে রওনা হয় । কিন্তু শান্ত মিয়া ওই ছাত্রীকে স্কুলে না নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের বকুলতলা এলাকার সুজন মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে সেখানে আসামি সাব্বির হোসেন এবং শান্ত মিয়া ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধষর্ণ করে।

পরে বাড়িতে গিয়ে ওই স্কুল যাত্রী বিষয়টি তার অভিভাবককে জানায়। অভিভাবকগণ সাব্বির হোসেন ও শান্ত মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ নিয়ে গ্রামের লোকজন সাব্বির হোসেনকে মারপিট করে এবং শান্ত মিয়া পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামি সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বুলবুল ইসলাম বলেন , এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গতকাল (৩ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বিব হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

পড়ুন: ৩১ দফার মাধ্যমে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি : ব্যারিষ্টার কামাল

দেখুন: ‘বিশিষ্টজনদের উপর হামলা হচ্ছে কাদের ইন্ধনে?’

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন