বিজ্ঞাপন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ২৩ ফিলিস্তিনি

ইসরায়েলি বাহিনীর টানা আগ্রাসনে অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২৪ জন। শনিবার (১০ মে) তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন এ প্রাণহানির ঘটনায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান হামলায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৮১০ জনে। আহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৭৩ জনে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ছিল খুবই অল্প সময়ের। মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে হামাসের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে ইসরায়েল আবারও বিমান হামলা শুরু করে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৭ হাজার ৪৩২ জন। এভাবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করেছে ইসরায়েল।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, ইসরায়েলের বর্বর হামলায় গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ধ্বংস হয়েছে অঞ্চলটির বেশিরভাগ অবকাঠামো, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। বর্তমানে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও গাজায় গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি রয়েছে।

পড়ুন: রকেট ছুড়ে ই/স/রা/য়ে/ল/কে জবাব দিচ্ছে হা/মা/স, হাই অ্যালার্টে ই/রা/

দেখুন: গাজায় ইসরায়েলের হামলায় একদিনে নিহত ২৭

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন