১৮/০২/২০২৬, ৫:২১ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ৫:২১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আবারও গাজায় নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো

গাজায় নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আবারও ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এ নিয়ে ৬ বার গাজার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভোটো দিল। 

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির একটি খসড়া প্রস্তাবে তারা ভেটো দেয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে ১৪ দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট দেয় যুক্তরাষ্ট্র। খসড়া প্রস্তাবে গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তা প্রবেশ ও জিম্মিদের মুক্তির দাবি তোলা হয়েছিল।

গাজায় চলমান সংঘাতের প্রায় ২ বছর হতে চলেছে। এ সময়ের মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের শর্ত যুক্ত করে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত ছয়টি প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে ভেটো দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সর্বশেষ প্রস্তাবটির খসড়ায় গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছিল। সেই সঙ্গে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলকে সব ধরণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ত্রাণ সরবরাহ করতে দেওয়ার কথাও বলা ছিল। এর বিপরীতে খসড়া প্রস্তাবটিতে গাজায় জিম্মি অবস্থায় থাকা ইসরায়েলিদের অবিলম্বে সম্মানজনক মুক্তির শর্তও ছিল।

ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে হামাস একে ‘গণহত্যার অপরাধের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে জড়িত থাকা’ বলে চিহ্নিত করেছে।

গাজা সিটিতে কয়েক দিন ধরে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। এরই অংশ হিসেবে এ শহরে বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযান চালাচ্ছে দেশটি। হামলার মুখে গাজা সিটি থেকে ফিলিস্তিনিরা দলে দলে হেঁটে আরও দক্ষিণ দিকে সরে যাচ্ছেন। অনেকে যানবাহন ও গাধায় টানা গাড়িতে গাজা সিটি ছাড়ছেন।

ইসরায়েলের দাবি, গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ফিলিস্তিনি গাজা সিটি ছেড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শহরটিতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা শুরুর আগে কমবেশি ১০ লাখ ফিলিস্তিনি ছিলেন, যাঁদের অনেকে অন্যান্য জায়গা থেকে একাধিকবার স্থানচ্যুত হয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

পড়ুন: গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ইতালীতে এক যোগে প্রতিবাদ

দেখুন: ভাগ হচ্ছে গাজা? একসঙ্গে বসছেন ট্রাম্প নেতানিয়াহু! |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন