গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ধরপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে ভাসুরের ছেলের ছুরিকাঘাতে চাচী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হন আরও দুজন। হতাহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত নার্গিস আক্তার কাপাসিয়া উপজেলার ধরপাড়া গ্রামের আওলাদ হোসেনের স্ত্রী।
আজ বুধবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নার্গিস আক্তারের ভাসুরের ছেলে অভিযুক্ত নাজমুল হোসেনের মেয়ে মাদ্রাসায় পড়েন। গতকাল সে ভিকটিম নার্গিসের বাড়িতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এসময় মেয়েকে নার্গিসের বাড়িতে আটকিয়ে রাখা হয়েছে এমন অভিযোগ করে চাচী নার্গিসের সঙ্গে ঝগড়া ও বাক বিতণ্ডা হয় নাজমুলের। এ ঘটনায় সকালে পারিবারিক ভাবে শালিশ বৈঠক ডাকা হয়। শালিশ চলাকালে অভিযুক্ত নাজমুল তার চাচী নার্গিসের বুকে এলোপাথারী আঘাত করেন। এসময় তাদের ছাড়াতে গিয়ে ধ্বস্তাধস্তিতে আরও দুইজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে ভাসুরের ছেলের ছুরিকাঘাতে চাচী নার্গিসের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত নাজমুল পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের সহ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এনএ/


