বিজ্ঞাপন

গুমের মামলায় সেনা কর্মকর্তাদের ভার্চ্যুয়াল হাজিরার আবেদন খারিজ, শুনানি ১৪ ডিসেম্বর

গুমের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক ১০ সেনা কর্মকর্তার ভার্চ্যুয়াল হাজিরার আবেদন খারিজ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে তাদের বিচার-আচার দেশের আইন অনুযায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে র‌্যাবের টিএফআই সেলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করেছে প্রসিকিউশন। স্টেট ডিফেন্স ও আসামিপক্ষের শুনানির জন্য আগামী ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ (বুধবার) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন দুপুর পৌনে ১২টা থেকে ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হয়। প্রথমেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানিতে টিএফআই সেলে গুমের বীভৎস বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি। গুমের অন্ধকার পেরিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক নতুন বাংলাদেশ উদিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এ সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের চিত্র ফুটিয়ে তোলেন।

গুম হওয়া ব্যক্তিদের ভাগ্য দুভাবে নির্ধারণ হতো বলে উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। এর মধ্যে ভাগ্য ভালো হলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হতো। আর দ্বিতীয়ত সাত-আট বছর গুম রাখার পর অজানা কোনো স্থানে ফেলে রাখা হতো। এ ছাড়া আরও ভয়াবহ নির্যাতনের কথা সামনে আনেন চিফ প্রসিকিউটর।

পড়ুন: এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বিজিবি মোতায়েন

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন