১৪/০১/২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গুলিতে নিহত মামুন ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন

রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত তারিক সাইফ মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। গত বছর এই মামলায় খালাস পেয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে দুইজন দুর্বৃত্ত মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের শ্যালক জানান, তারিক সাইফ মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। গত বছর এই মামলায় খালাস পেয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

নিহতের জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে জানা গেছে, তার নাম তারিক সাইফ মামুন (৫৫)।  বাবার নাম এসএম ইকবাল। বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মোবারক কলোনী এলাকায়। তিনি বর্তমানে বাড্ডার আফতাব নগরের ভাড়া বাসায় পরিবারের সাথে থাকতেন।

জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন ও মামুন একসময় হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও এলাকার আতঙ্ক ছিলেন। তাঁদের গড়ে তোলা বাহিনীর নাম ছিল ‘ইমন-মামুন’ বাহিনী। তাঁরা দুজনই চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি। 

নিহতের স্ত্রী রিপা আক্তার জানিয়েছেন, আজ সকালে একটি মামলার হাজিরা দিতে কোর্টে গিয়েছিলেন মামুন।

নিহত মামুনের স্ত্রী আরও জানান, আমার স্বামী বিএনপি সমর্থিত একজন কর্মী ও পাশাপাশি ব্যবসা করতো। আজ তার কোর্টে হাজিরা ছিল। আমরা জানতে পারি আমার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে আছেন। পরে ঢাকা মেডিকেলে হাসপাতালে এসে আমার স্বামীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। 

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী জানিয়েছেন, নিহত মামুন শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন।

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি বলেন, তারিক সাঈফ মামুন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী কি না বলতে বলতে পারছি না। তবে তিনি ক্যাপ্টেন ইমন গ্রুপের লোক ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ডিসি তালেব বলেন, তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে। আজ সে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিল। সেখান থেকে বের হওয়ার পরেই দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

জানা যায়, নিহত সাঈফ মামুন শীর্ষ সন্ত্রাসী ক্যাপ্টেন ইমনের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। তবে তার সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ শীর্ষ সন্ত্রাসী ক্যাপ্টেন ইমনের দ্বন্দ্ব চলছিল। দীর্ঘ ২৪ বছর জেল খাটার পর ২০২৩ সালে তিনি জেল থেকে বের হন।

এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তেজগাঁও সাত রাস্তায় মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই ঘটনায় মামুন আহত হলেও পথচারী ভুবন চন্দ্র শীল নিহত হয়। নিহত মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী এবং সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই শহীদ সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

পড়ুন : রাজধানীতে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে দুর্বৃত্তের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ১

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন