বিজ্ঞাপন

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রাশিদ আলী ফাউন্ডেশন


মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মাওলানা শাহ সৈয়দ রাশেদ আলী ফাউন্ডেশন। দুর্যোগের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিয়ে তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে সংগঠনটি।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় কুলাউড়া ডাকবাংলো মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারকে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন প্রদান করা হয়।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার পর থেকেই ফাউন্ডেশনটি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হয়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আলহাজ্ব সৈয়দ জুবায়ের আলীর মেয়ে সৈয়দা সাজিদা আলী ও ছেলে সৈয়দ ইয়ামিন আলীর অর্থায়নে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ পরিচালক ও টিম জার্নালিস্টের প্রধান উপদেষ্টা এম মুক্তাদির হোসেইন, কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুক্তার আহমদ, প্রেসক্লাব কুলাউড়ার সভাপতি এম মছব্বির আলী, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল, কালবেলার উপজেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রিপন, টিম জার্নালিস্টের সদস্য ও দৈনিক আজকের পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সামসুদ্দিন বাবু, জংশন কুলাউড়ার পরিচালক তৌফিকুর রহমান তাহের, পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সবুজ আহমদ, টিম জার্নালিস্টের সদস্য ও বিডি টাইমসের উপজেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান জুয়েল, এজে চ্যানেলের অ্যাডমিন আজিজুর রহমান, দৈনিক জনবানীর উপজেলা প্রতিনিধি জামাল হোসেন তারেক, নাগরিক টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান মাহি, দৈনিক লাখো কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী শুভন, কুলাউড়া নিউজের অ্যাডমিন রহমান তারেক, বিডি লাইনের অ্যাডমিন শাহরিয়ার চৌধুরী এবং দ্যা কুলাউড়ার অ্যাডমিন রেজাউল ইসলাম শাফিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবনে হঠাৎ বিপর্যয় ডেকে আনে, যা একা মোকাবিলা করা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। এ সময় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হয়। রাশিদ আলী ফাউন্ডেশন অতীতেও বন্যা, ঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, অসহায় পরিবার এবং কন্যাদায়গ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করেছে।

তারা আরও বলেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে। ভবিষ্যতেও ফাউন্ডেশনটি এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে চালিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

উপকারভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা জানান, হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় ফাউন্ডেশনের সহায়তা তাদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। তারা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পুরো আয়োজনটি স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হয় এবং একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জ্বালানি তেল মজুদ প্রতিরোধে সুনামগঞ্জে ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন